পারভেজ মিয়া : এক সময় পাটকাঠি কৃষকদের বোঝা মনে হলেও এখন আর বোঝা নয়, এখন আয়ের উৎস। আগে জ্বালানি, ঘরের বেড়া ছাউনি তৈরি করা হতে পাটকাঠি দিয়ে। এখন পাটের পাশাপাশি দেশ ও বিশ্ব বাজারে ব্যাপক শাহিদা বেড়েছে পাটকাঠির। এখন কৃষক স্বপ্ন দেখেন সোনালী আঁশের সঙ্গে রুপালি কাটি বিক্রি করে লাভবান হওয়ার। ফেলে দেওয়া পাটকাঠি পুড়িয়ে তৈরি ছাই বা চারকোল থেকে পাওয়া কার্বন পাওডার চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সফল ভাবে রপ্তানি করা হচ্ছে। এটি দেশের অর্থনীতিতে একটি নতুন সম্ভাবনার দোয়ার খুলছে।
স্থানীয়রা জানান, এক সময় কৃষকরা মনে করতেন এটা জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার ছাড়া কিছুই করা যায় না, তাই যেখানে সেখানে ফেলে রাখা হতো।
বালিয়াকান্দির কোমরদিয়া গ্রামের ছরোয়ার শেখ জানান, আমি ১০ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি। পাট ধোয়া শেষে পাটকাঠির শুকাচ্ছি। চারকোল মালিকরা গ্রামে গ্রামে আসছে পাটকাঠি কিনতে। প্রতি মন পাটকাঠি ৪ শত টাকা করে বিক্রি করছি। বালিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি অফিসার রতন কুমার ঘোষ বলেন, পাটের আশের পাশাপাশি পাটকাঠি বিক্রি করে কৃষকরা তাদের উৎপাদন খরচ কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারছে। এছাড়াও নতুন শিল্পের বিকাশ ঘটছে যা অর্থনিতিকে ভুমিকা রাখবে। ব্যাপক চাহিদা থাকায় কৃষকরা পাটকাঠির বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : খান মোহাম্মদ জহুরুল হক
কার্যালয় : রাজবাড়ী প্রেসক্লাব ভবন, কক্ষ নং : ৩ (নীচতলা),
প্রধান সড়ক, রাজবাড়ী।
ফোন : ০১৭১১-১৫৪৩৯৬, ০১৯৭১১-৫৪৩৯৬
ই-মেইল : rajbariprotidin409@gmail.com
স্বত্ব © ২০২৬ রাজবাড়ী প্রতিদিন