গোয়ালন্দে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

লেখক:
প্রকাশ: ২ সপ্তাহ আগে

সিরাজুল ইসলাম : “মানুষ পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বগুড়ার সারিয়াকান্দি আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় র‌্যালিটি উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে উপজেলার মাঠ প্রদক্ষিণ করে আবার উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। উপজেলা প্রশাসন ও উপনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেন। এরপর উপজেলা হলে রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল হুদা।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ লুৎফর রহমান খান এর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, রাবেয়া ইদ্রিস মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল কাদের শেখ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ মোঃ হাফিজুল হক, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার দাস, গোয়ালন্দ নাজির উদ্দিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান, দৌলতদিয়া মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা নাজিরুল ইসলাম তিতাস। এ ছাড়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, “সাক্ষরতা শুধু অক্ষর জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আত্ম-নির্ভরশীলতা অর্জনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। একটি শিক্ষিত ও সচেতন জনগোষ্ঠীই পারে একটি সমৃদ্ধ সমাজ ও উন্নত রাষ্ট্র গড়ে তুলতে।
তারা আরও বলেন, “সমাজের কোনো মানুষ যেন শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়ে আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে যারা নানা কারণে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ থেকে পিছিয়ে পড়েছেন, তাদের সাক্ষরতার আওতায় নিয়ে আসতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল হুদা বলেন, সাক্ষরতাকে কেবল পড়তে, লিখতে ও গণনা করতে পারার দক্ষতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, একে টেকসই উন্নয়ন ও উন্নত জীবনমান গঠনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৭.৯ শতাংশ। সরকারের লক্ষ্য হলো ২০৩১ সাল নাগাদ সাক্ষরতার হার ৮৬-৯০ শতাংশে উন্নীত করা।