
স্টাফ রিপোর্টার : অতি গোপনে রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাহ উদ্দিনের ভাষ্যমতে, এ কমিটির সদস্য সচিব হয়েছেন সেলিম হাসান নামের এক ক্রীড়া বিমুখ যুবক। পেশায় পল্লী চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত ওই যুবক নিষিদ্ধ ঘোষিত মদাপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। তার পিতার নাম হোসেন আলী মাস্টার। তিনিও মদাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে রাজনীতি করতেন। ব্যক্তিজীবনে সেলিম হাসান ক্রীড়া সংক্রান্ত কোন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করেছে এমন নজির কোথাও নাই। তারপরও নিয়মনীতির কোন তোয়াক্কা না করেই এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এক বছর আগে কালুখালী উপজেলার সাবেক নির্বাহী অফিসার মহুয়া আফরোজ কালুখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেন। ওই কমিটি বহাল থাকতেই সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাহ উদ্দিন আরো একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে অচমকা চমক দেখালেন।
কালুখালীর ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব নজরুল ইসলাম বলেন, ক্রীড়া বিমুখ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ কর্মীকে ক্রীড়া সংস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রাখার কোন সুযোগ নেই। তিনি এ কমিটি বাতিলের দাবী জানায়।
মদাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা সেলিম হাসানকে কোন যোগ্যতাগুনে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটিতে অন্তভূক্ত করা হয়েছে তা মুঠোফোনে তা জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাহ উদ্দিন কোন জবাব দেননি। তিনি বিষয়টির জন্য অফিসে আসতে বলেন।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি লুৎফর রহমান জানান, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত কারো ঢোকার সুযোগ নেই। কেউ চক্রান্ত করে ঢুকালে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতি সাথে জড়িত ব্যক্তি কমিটিতে অন্তভূক্ত করার ঘটনাটির নিন্দা জানান।
