
সিরাজুল ইসলাম : দেশের বৃহত্তম রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীতে প্রেমিকের পিটুনির ১০ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোনিয়া আক্তার (৩০) নামে এক যৌনকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। সোনিয়া আক্তার বরিশাল জেলার হিজলা থানার চর ভারেয়া গ্রামের বাবুল চৌকিদারের মেয়ে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সফিকুল ইসলাম।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ আগস্ট রাতে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে সোনিয়া আক্তারকে পিটিয়ে এবং ইট দিয়ে থেতলিয়ে গুরুতর আহত করেন তার বাবু (কথিত প্রেমিক) মোঃ জুয়েল। এসময় তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। পরে সেখানেও তার অবস্থার অবনিত হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করে চিকিৎসক। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত সোমবার তার মৃত্যু হয়। প্রেমিক জুয়েল সরদার (৩৫) উপজেলার দৌলতদিয়া হোসেন মন্ডল পাড়া এলাকার নুকু সরদারের ছেলে।
নিহত সোনিয়া আক্তার দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর তোফাজ্জেল হোসেন তপুর বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন। এ ঘটনায় দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর বাড়িওয়ালা তোফাজ্জেল হোসেন তপু বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি অজ্ঞাতনামা মামলা দায়ের করেছেন।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সফিকুল ইসলাম বলেন, সোনিয়া আক্তার আহত হওয়ার ঘটনায় মামলা হওয়ার সাথে সাথে মো. জুয়েল (৩৫) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মারা যাওয়ায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
