উৎসবমূখর পরিবেশে কালুখালীতে উদযাপিত শারদীয় দুর্গোৎসব

লেখক:
প্রকাশ: ১০ ঘন্টা আগে

রাকিবুল ইসলাম : অশুভ শক্তিকে শোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। সনাতন ধর্মমতে, যা কিছু দুঃখ-কষ্টের বিষয় বাধা, ভয়, দুঃখ-শোক, জ্বালা-যন্ত্রণা এসব থেকে ভক্তকে রক্ষা করেন দেবী দুর্গা। শাস্ত্রকাররা দুর্গা নামের অর্থ করেছেন দুঃখের দ্বারা যাকে লাভ করা যায়, তিনিই দুর্গা। দেবী দুঃখ দিয়ে মানুষের সহ্যক্ষমতা পরীক্ষা করেন। তখন মানুষ অস্থির না হয়ে তাকে ডাকলেই তিনি তার কষ্ট দূর করেন। এ বছর ভক্তদের কষ্ট দূর করতে দেবী দুর্গা এসেছেন ঘোড়ায় চড়ে, আর দশমীর দিন বিদায় নিবেন নৌকায় চড়ে।
হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে এই দুর্গোৎসবটি গভীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য বহন করে। এটি অসুররাজ মহিষাসুরের বিরুদ্ধে দেবী দুর্গার বিজয়কে স্মরণ করিয়ে দেয় এবং অশুভ শক্তির ওপর শুভ শক্তির জয়ের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।
তারই ধারাবাহিকতায় রাজবাড়ীর কালুখালীতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা উৎসবমূখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবছরে কালুখালী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ৫৫টি মন্দিরে দুর্গাপূজা উৎযাপিত হচ্ছে। রতনদিয়া ইউনিয়নে ১২ টি, কালিকাপুর ইউনিয়নে ০২ টি, বোয়ালিয়া ইউনিয়নে ০৭টি, মাজবাড়ী ইউনিয়নে ০৬টি, মদাপুর ইউনিয়নে ১৩টি, মৃগী ইউনিয়নে ০৮টি ও সাওরাইল ইউনিয়নে টি মন্দিরে ০৭টি।
এ উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের জন্য কালুখালী উপজেলা প্রশাসন সকল ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করেছেন। রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন কয়েকটি মন্দির পরিদর্শন করে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিয়ময় করেছেন এবং কালুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম রেজাউল করিম সার্বক্ষনিক খোঁজখবর রাখছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ মন্দির পরিদর্শন করে সহযোগীতা ও সহমর্মিতার বার্তা পৌছে দিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে কালুখালী উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক যাদব কুমার দত্ত বলেন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমূখর পরিবেশে উপজেলার ৫৫টি মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বুধবার বিজয়া দশমীর মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি হবে। প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সহযোগীতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।