রাজবাড়ীতে নানা আয়োজনে উদীচীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

লেখক:
প্রকাশ: ১ দিন আগে

স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ীতে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
বুুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে “সিক্ত যাদের সারা দেহমন মাটির মমতা রসে, এই ধরণীর তরণীর হাল রবে তাহাদের বশে” স্লোগান ধারণ করে শহরের এক নম্বর রেলগেট শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলক চত্ত্বরে জেলা উদীচীর উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর ৫৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি রাজবাড়ী জেলা কমিটির সভাপতি প্রবীণ কমিউনিস্ট নেতা কমরেড আব্দুস সামাদ মিয়া।
উদ্বোধনের পর একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। এরপর সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা উদীচীর সভাপতি শংকর চন্দ্র সিনহা। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এজাজ আহম্মেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা উদীচীর সহসভাপতি ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অর্থ উপকমিটির আহবায়ক ফকীর শাহাদত হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উদীচীর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) হাবিবুল আলম। এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন কালুখালী উপজেলা উদীচীর নেতা দেবাশীষ সাহা, বালিয়াকান্দি সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. সাইফুল ইসলাম।
এসময় বক্তারা বলেন, শোষণ নিপীড়ণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য উদীচীর জন্ম হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে উদীচীর ভূমিকা ছিল অতুলনীয়। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে উদীচী লড়াই করেছে। সর্বশেষ ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানেও উদীচী রাজপথে থেকে বুক চিতিয়ে লড়াই করে গেছে। কিন্তু ১৯৭১ সাল এখন পর্যন্ত দেশে অনেক সরকার গঠন হয়েছে। গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন সরকারই শোষন বৈষম্য নিরসন করতে পারেনি। প্রতিনিয়তই উগ্রবাদীগোষ্ঠী দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। উদীচী বারবারই এদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে এবং আগামিতেও এই লড়াই জারি রাখবে। আলোচনা সভা শেষে উদীচীর শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।