


স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তিনজনকে কুপিয়ে গুরুতর ভাবে জখম করেছে প্রতিপক্ষ।
জানাগেছে, বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের পুরাণ ঘুরঘুরিয়া এলাকার মনোরঞ্জন মন্ডল (৭০) সাথে দীর্ঘদিন যাবত জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল পাশের বাড়ির মৃত মহন্ত মন্ডলের ছেলে ভবেশ মণ্ডল (৫৫)। গত ২৯ অক্টোবর সকালে মনোরঞ্জন মন্ডলের ছেলে দীপক মন্ডল (৪৫) তার নিজ জায়গায় ধানের খরের পালা দেওয়ার সময় ভবেশ মণ্ডলের একটি গাছের চিকন ডাল খরের পালার উপর ঝুলে থাকার কারণে ডালটি কেটে দেয়। প্রতিপক্ষ ভবেশ মন্ডল তা দেখে বাড়ীতে যেয়ে পরিকল্পিতভাবে পরিবারের সবাইকে ডেকে এনে দীপক মন্ডলের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে এলোপাথাড়ি ভাবে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারপিট সহ দীপকের মাথায় আঘাত করলে দীপকের চিৎকারে দাদা বিপুল ও বাবা মনোরঞ্জন মন্ডল এগিয়ে আসলে তাদেরকেও কুপিয়ে গুরুতর ভাবে মাথায় জখম করে। তারা একপর্যায়ে মাটিতে পরে চিৎকার করলে এলাকাবাসী তাদেরকে উদ্ধার করে বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের অবস্থায় আশঙ্কা জনক দেখে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে।
এ ব্যাপারে গ্রামবাসী গিরিন চন্দ্রনাথ, অমেলা ও অন্তরা মন্ডল বলেন, সকালে আমরা পাশের বাড়ি ডাক চিৎকার শুনতে পেয়ে এগিয়ে এসে দেখি মনোরঞ্জন সহ তার দুই ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে। পাশেই দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে ভবেশ মণ্ডল ও তার পরিবারের লোকজন দাঁড়িয়ে গালিগালাজ করছে। এক পর্যায়ে তারা চলে গেলে আমরা গ্রামবাসী তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।
এ ব্যাপারে বালিয়াকান্দি থানায় মামলা হলে পুলিশ ভবেশ মন্ডল ও তার ভাইকে গ্রেপ্তার করার পর থেকেই ভবেশ মন্ডলের আত্মীয়-স্বজন বিভিন্নভাবে মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করছে। মামলা না তোলায় প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে বিচার দাবি করেন।
