
স্টাফ রিপোর্টার : শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে রাজবাড়ী পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় রাজবাড়ী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় করেন রাজবাড়ী পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন।
তিনি বলেন, রাজবাড়ী জেলায় ৪৬১টি মন্দিরে শারদীয় দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে ৮৬টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪০টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, সাধারণ ৩৩৫টি। সিসি ক্যামেরার আওতায় রয়েছে ৩০৫টি, সিসি ক্যামেরা নেই ১৫৬টি মন্দিরে। রাজবাড়ী সদর উপজেলার ১১৮টি মন্দিরের মধ্যে ৮টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৩টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, সাধারণ ১০৭টি, সিসি ক্যামেরা রয়েছে ৫০টি, ৬৮টিতে নেই। বালিয়াকান্দি উপজেলায় ১৫৮টি মন্দিরের মধ্যে ২৫টি ঝুঁকিপুর্ণ, ৪টি অধিক ঝুঁকিপুর্ণ, ১২৯টি সাধারণ, সিসি ক্যামেরা ৭২টি, নাই ৮৬টি। পাংশা উপজেলায় ১০৪টি মন্দিরের মধ্যে ২৮টি ঝুঁকিপূর্ণ, ১০টি অধিক ঝুঁকিপুর্ণ, ৬৬টি সাধারণ, ১০৪টি মন্দিরে রয়েছে সিসি ক্যামেরা। গোয়ালন্দ উপজেলায় ২৬টি মন্দিরের মধ্যে ৭টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ১৫টি সাধারণ, ২৪টিতে সিসি ক্যামেরা রয়েছে, নেই ২টিতে। কালুখালী উপজেলায় ৫৫টি মন্দিরের মধ্যে ১৮টি ঝুঁকিপূর্ণ, ১৯টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ১৮টি সাধারণ, ৫৫টিতে রয়েছে সিসি ক্যামেরা।
তিনি আরও বলেন, দূর্গাপূজায় পুলিশ, ম্যাজিষ্ট্রেট, এসআরবি, আনসার, স্ট্রাইকিং ফোর্স, মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ থাকবে। আমরা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্টু পরিবেশে শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন করতে সকল প্রকার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।
এসময় জেলা পুলিশের কর্মকর্তা, প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রচার করা উচিত। কোনো ভুল তথ্য বা গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্গাপূজা চলাকালীন সময়ে নির্বিঘ্নে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহ করে জেলা পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
