
স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ীর কালুখালীর সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাহ উদ্দিনের সহযোগিতায় খাস খতিয়ানভুক্ত ফসলী জমিতে পুকুর কেটে চমক দেখিয়েছে ঝন্টু নামের এক স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা। যদিও খাস খতিয়ানভুক্ত ওই জমির
মামলার রায় সুুত্রে দাবিদার সনেকা বেগম নামের এক অসহায় নারী। সনেকা কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের কুয়োত আলীর কন্যা। গত ১১ মার্চ সনেকা ও তার স্বজনরা কালুখালীর বানজানা মৌজার বিএস ৬০৪,৬৭৬,৬৭৭ ও ৭১৭ নং দাগে নিজেদের রোপনকৃত জমিতে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করে। মানববন্ধন চলাকালে সনেকা দাবী করেন ক্রয় সুত্রে আমরা আমার বাবা ৫০ বছর ধরে এ জমির মালিক। এবছরও আমরা জমিতে খেসারী কলাই বপন করেছি। কিন্তু ঝন্টু নামের এক স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আমাদের জমি দখলের চেষ্টা করছে।
মানববন্ধনের কদিন পরই মৃগী ইউনিয়নের বানজানা গ্রামের ইসমাইল শেখের পুত্র ঝন্টু শেখ ওই জমির লীজ গ্রহণ করেন। একই সাথে ঝন্টু শেখ লীজকৃত কলাইয়ের জমি পুকুর দাবী করে তা পুনখননের জন্য কালুখালীর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাহ উদ্দিনের নিকট আবেদন করেন। তিনি সরেজমিন ঘুরেও আসেন। অতি চৌকস চোঁখে দেখেও আসেন কলাই রোপনকৃত কৃষি জমিটি পুকুর। তাই তিনি কালুখালীর বানজানা মৌজার বিএস ৬০৪,৬৭৬,৬৭৭ ও ৭১৭ নং দাগে পুকুর পুন খননের অনুমতি দেন।
রাতারাতি শুরু হয় মাটি বেচার উৎসব। ১৫ দিনেই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ঝন্টু বিক্রি করে ৬ লক্ষ টাকার মাটি। এ অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে সনেকা বেগম থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বহু ঘুরেছেন। তাতে কোন কাজ হয়নি।
সরকারী কৃষি জমির শ্রেনী পরিবর্তনের জন্য একমাত্র ভুমি কর্মকর্তা অনুমতি দিতে পারে। কিন্তু তাকে না জাি য়ে শ্রেনী পরিবর্তন করা আইনের লঙ্গন। কৃষি জমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৬ অনুযায়ী যথাযথ কতৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া জমির শ্রেনী পরিবর্তন করলে ৬ মাসের কারাদন্ড ও ১ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান আছে।
