
মাসুদ রেজা শিশির : রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় সড়কের পাশে থাকা আটটি সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার যশাই ইউনিয়নের রসকারের হালট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ইউসুফ যশাই ইউনিয়নের পারভেল্লা বাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক।
সরেজমিনে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রসকারের হালট সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে আটটি জীবিত গাছ ছিল। স্থানীয়দের দাবি, গাছগুলো সড়কের ভাঙন রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিল। তবে মঙ্গলবার সকালে ওই গাছগুলো কেটে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
গাছ কাটার বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক ইউসুফ বলেন, গাছ গুলো আমার ভাই লাগিয়েছিল। গাছের ছায়ায় ফসলি জমির ক্ষতি হয়,তাই গাছগুলো কেটেছি।
পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, “গাছ কাটার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে কাটা গাছ গুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ রিফাতুল হক বলেন, সরেজমিনে তদন্ত করে গাছ কাটার ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
সরকারি গাছ কাটার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি সম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
