oppo_2

ফজলুল হক : রাজবাড়ীর কালুখালীতে প্রকৌশলী মোঃ আতিকুর রহমান ও ঠিকাদার মোঃ মোতাহার হোসেনের পিতা কালুখালী বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মরহুম ফয়জুল ইসলাম সরদার ( ৯২) এর জানাজা নামাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।
রবিবার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় ঝাউগ্রাম ঈদগাহ ময়দানে হাজারও মানুষের উপস্থিতিতে মাওঃ গোলাম মোঃ সাজ্জাদ হুসাইন এর ইমামতিতে এ জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত এক আলোচনায় বক্তব্য রাখেন, পাংশা উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মোঃ চাঁদ আলী খান, মরহুমের পুত্র প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তিনি তার আলোচনায় বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। বলেন বাবা ছিলেন বট বৃক্ষের মতো জীবিত থাকা অবস্থায় সব সময় খোঁজখবর রাখতেন ঢাকা থেকে বাড়ি আসার সময় প্রায় ১০০ বার ফোন দিয়ে জানতেন কতদূর আসছো! আর কেউ এমন করে বলবে না ফোনও দেবে না সর্বোপরি তিনি তার পিতার জন্য দোয়া কামনা করেন আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত নসিব করেন। কালুখালী উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রাকিবুল হাসান রুমা , সাবেক আহ্বায়ক কেএম আইনুল হাবিব, মোঃ সুরুজ আলী মুন্সি কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সদস্য মাহবুবুর রহমান রবি সরদার, মরহুমের পুত্র ঠিকাদার মোতাহার হোসেন সরদার, স্থানীয় সমাজসেবক আহমদ আলী বাদশা, মরহুমের ভাই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মাস্টার, পাংশা পৌর বিএনপির সভাপতি বাহারাম সরদার, আলমগীর হোসেন, আবু নূর মোহাম্মদ ইমারত আলী খান, মাওলানা মোতালেব হাসান সহ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, তিনি শনিবার দুপুর দুইটা ৫০ মিনিটের দিকে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের ঝাউ গ্রাম নিজ বাড়ীতে বার্ধক্য জনিত কারণে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) জীবদ্দশায় তিনি কালিকাপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ও ঝাউ গ্রাম কালিকাপুর যৌথ ঈদগাহ ময়দানের সভাপতি সহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। জানাজা নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মরহুম তার অগোচরে ৩ পুত্র ৪ কন্যা সন্তান, স্ত্রী ও ৩ ভাই ১ বোন সহ অসংখ্যক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
