দৌলতদিয়া সারেংয়ের দ্বায়িত্ব বুঝে নেওয়ার আগেই অফিসে তালা

লেখক:
প্রকাশ: ৪ দিন আগে

সিরাজুল ইসলাম : দেশের ব্যস্ততম রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাট টালি সুকানি (এফটিং) সারেংয়ের রুমে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। এতে সারেং হুমায়ুন কবিরের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও জামা কাপড় আটকে পরে অমানবিক জীবন যাপন করছেন।
দৌলতদিয়া ঘাট সুত্রে জানাযায়, বিআইডব্লিউটিসি নারায়নগঞ্জ পার্সোনেল ম্যানেজার (ফ্রিট) সারজিল হাসান (সজীব) স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে কর্মরত টালি সুকানি (এফটিং সারেং) মোঃ হুমায়ুন কবিরকে বদলি করে সেখানে মোঃ এরাদত আলীকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়। কিন্তু বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন চলাঅবস্থায় মোঃ এরাদত আলী হুমায়ুন কবিরের থাকার কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন। সেখানে তার জামা কাপড়, চার্জার সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে।
মোঃ হুমায়ুন কবির বলেন, আমি এখানে আসছি ১১ মাস। আমার দুই বছর থাকার কথা। কিন্তু তার আগেই আমাকে এখান থেকে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে কবে কখন সে যোগদান করবো, সেই বিষয় উল্লেখ নাই। তাছাড়া কাগজপত্র বুঝে দেওয়ার জন্য সময় লাগে তার আগেই সে বাইরের লোক এনে আমার রুমে অনৈতিকভাবে তালা মেরে দিয়েছে। তাছাড়া ফেরিঘাট বন্ধ থাকলেও এখনো এ ঘাটের ডিমান্ড নোটে এখনো আমি সই করছি। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আমি উর্ধত্বন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। এ বিষয়ে তিনি তিনি মহাব্যাবস্থাপক মেরিন বরাবর নিয়ম বহির্ভূত নিয়োগের বিরুদ্ধে আবেদন করেছেন।
এ বিষয়ে মোঃ এরাদত আলীর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তিনিই এখন সাত নম্বর ফেরিঘাটের সারেং। অবৈধভাবে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ বিষয়ে কথা বললে তিনি সামনাসামনি কথা বলার কথা জানান।
পার্সোনাল ম্যানেজার সারজিস আলম বলেন, এটা আমি জানি না। তবে এটা অনাকাঙ্ক্ষিত। এ বিষয়ে ওই অঞ্চলের সহ মহাব্যাবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন ব্যাবস্থা গ্রহণ করবে অথবা হেড অফিসের মাধ্যমে আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে হবে।