
বুয়েনস আইরেসে অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা ও ইকুয়েডরের অনূর্ধ্ব-১৭ দলের মধ্যকার প্রস্তুতি ম্যাচটি আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ একটি কারণে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ম্যাচটিতে আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে জয় পায়, তবে এর চেয়েও বড় ঘটনা ঘটে গেছে। ম্যাচটিতে আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেক হয়েছে হাইতিতে জন্ম নেওয়া স্টিফেন রামোসের।
নিজেকে ‘কিকি’ নামে পরিচয় দেওয়া এই ফরোয়ার্ড মাত্র ৯ মাস বয়সে আর্জেন্টিনায় আসেন। ২০১০ সালে হাইতিতে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এক আর্জেন্টাইন দম্পতি তাকে দত্তক নেন।
রামোসের জন্ম ২০০৯ সালের ৩ এপ্রিল ক্যারিবীয় দেশ হাইতিতে। তিনি সেই ভয়াবহ ভূমিকম্প থেকে বেঁচে যান, যে দুর্যোগে সরকারি হিসাব অনুযায়ী প্রায় ৩ লাখ ১৬ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল। ২০১১ সালের ১২ জানুয়ারি, ঘটনার এক বছর পূর্তিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জ্যঁ-ম্যাক্স বেলেরিভ এই সংখ্যা প্রকাশ করেছিলেন।
ভয়াবহতম ভূমিকম্পগুলোর একটির ধ্বংসযজ্ঞ থেকে বেঁচে আর্জেন্টিনায় আসা রামোস এখন ভেলেজ সার্সফিল্ডের যুব দলে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন। তার পারফরম্যান্স নজরে পড়ে আর্জেন্টিনার সাবেক আন্তর্জাতিক ফুটবলার ও বর্তমান অনূর্ধ্ব-১৭ দলের কোচ দিয়েগো প্লাসেন্তের।
এই প্রস্তুতি ম্যাচগুলো কাতারে অনুষ্ঠিতব্য অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার প্রস্তুতির অংশ। আসরটি চলতি বছর নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে। আর্জেন্টিনা রয়েছে ‘সি’ গ্রুপে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্ক ও মোজাম্বিক।
বুয়েনস আইরেসে অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা ও ইকুয়েডরের অনূর্ধ্ব-১৭ দলের মধ্যকার প্রস্তুতি ম্যাচটি আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ একটি কারণে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ম্যাচটিতে আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে জয় পায়, তবে এর চেয়েও বড় ঘটনা ঘটে গেছে। ম্যাচটিতে আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেক হয়েছে হাইতিতে জন্ম নেওয়া স্টিফেন রামোসের।
নিজেকে ‘কিকি’ নামে পরিচয় দেওয়া এই ফরোয়ার্ড মাত্র ৯ মাস বয়সে আর্জেন্টিনায় আসেন। ২০১০ সালে হাইতিতে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এক আর্জেন্টাইন দম্পতি তাকে দত্তক নেন।
রামোসের জন্ম ২০০৯ সালের ৩ এপ্রিল ক্যারিবীয় দেশ হাইতিতে। তিনি সেই ভয়াবহ ভূমিকম্প থেকে বেঁচে যান, যে দুর্যোগে সরকারি হিসাব অনুযায়ী প্রায় ৩ লাখ ১৬ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল। ২০১১ সালের ১২ জানুয়ারি, ঘটনার এক বছর পূর্তিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জ্যঁ-ম্যাক্স বেলেরিভ এই সংখ্যা প্রকাশ করেছিলেন।
ভয়াবহতম ভূমিকম্পগুলোর একটির ধ্বংসযজ্ঞ থেকে বেঁচে আর্জেন্টিনায় আসা রামোস এখন ভেলেজ সার্সফিল্ডের যুব দলে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন। তার পারফরম্যান্স নজরে পড়ে আর্জেন্টিনার সাবেক আন্তর্জাতিক ফুটবলার ও বর্তমান অনূর্ধ্ব-১৭ দলের কোচ দিয়েগো প্লাসেন্তের।
এই প্রস্তুতি ম্যাচগুলো কাতারে অনুষ্ঠিতব্য অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার প্রস্তুতির অংশ। আসরটি চলতি বছর নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে। আর্জেন্টিনা রয়েছে ‘সি’ গ্রুপে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্ক ও মোজাম্বিক।
আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) আয়োজিত যুব টুর্নামেন্টগুলোতে রামোস দ্রুত নজর কাড়েন। তার শক্তিশালী শারীরিক গঠন, অসাধারণ অ্যাথলেটিক দক্ষতা, ডিফেন্ডারদের চাপে ফেলার ক্ষমতা এবং নিয়মিত গোল করার সামর্থ্য তাকে আলাদা করে তুলেছে। এসব গুণই জাতীয় দলের স্কাউটদের নজরে আনে তাকে। অনেকের মতে, ভবিষ্যতে তিনি আর্জেন্টিনার অন্যতম বড় প্রতিভা হয়ে উঠতে পারেন।
যদি রামোস আসন্ন কাতার অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে কোনো অফিসিয়াল ম্যাচ খেলেন, তাহলে তিনি হতে পারেন ১৯৭৩ সালের পর আলবিসেলেস্তেদের জাতীয় দলের হয়ে খেলা প্রথম এমন বিদেশি খেলোয়াড়, যার কোনো আর্জেন্টাইন বংশগত শিকড় নেই।
১৯৭৩ সালে প্যারাগুয়ের খেলোয়াড় হেরিবার্তো কোরেয়া আর্জেন্টিনার নাগরিকত্ব নিয়ে আলবিসেলেস্তে জার্সি পরেছিলেন। রামোস ও কোরেয়ার মধ্যে একটি বিশেষ মিলও রয়েছে। ৫৩ বছরের ব্যবধানে দুজনই ভেলেজ সার্সফিল্ডের খেলোয়াড় হিসেবে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের দরজায় পৌঁছেছেন।
