রাজবাড়ীতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে হাইব্রিড মুডে সভা

লেখক:
প্রকাশ: ৩ সপ্তাহ আগে

স্টাফ রিপোর্টার : মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে হাইব্রিড মুডে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় রাজবাড়ী জেলার ৭০টি বৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সরাসরি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জেলার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ জুম প্লাটফর্মের মাধ্যমে সভায় সংযুক্ত ছিলেন।
সভায় শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং ৫টি মূল বিষয়কে ফোকাস করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ভিত্তিতে নম্বর প্রদানের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম ৭৫% উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
প্রতিটি শ্রেণিতে ইনকোর্স পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে এবং এর মান বার্ষিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে সমন্বয় করে যথাযথভাবে বণ্টনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
শিক্ষার পরিবেশ ও পাঠদানের মান বজায় রাখার লক্ষ্যে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সকল ধরনের প্রাইভেট পড়ানো ও কোচিং বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে ক্লাস চলাকালীন শিক্ষার্থীরা কোনো ধরনের স্মার্টফোন আনতে ও ব্যবহার করতে পারবে না মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
এছাড়া দুর্বল শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে নিয়মিত ক্লাসের সময়ের পর অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার টেস্ট পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী অনুত্তীর্ণ হলে সে কোনোভাবেই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া অন্যান্য শ্রেণিতে বার্ষিক পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী অনুত্তীর্ণ হলে তাকে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা যাবে না মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, যথাযথভাবে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা, পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।