
সিরাজুল ইসলাম : ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের জন্য রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়েছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, নৌপুলিশ ও উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এসময় তারা ৫ হাজার মিটার দৈর্ঘ্যের অবৈধ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, ৫০ টি চায়না দুয়ারী জাল, ২ জন আসামী ও ৫ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হয় বলে নিশ্চিত করেন, দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মুনতাসির হাসান খান। এ সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট, গোয়ালন্দ ঘাট থানার পুলিশ এবং দৌলতদিয়া নৌপুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় তারা ৫ হাজার মিটার দৈর্ঘ্যের অবৈধ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, ৫০ টি চায়না দুয়ারী জাল, ২ জন আসামী ও ৫ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। অবৈধ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী জাল জনসম্মুখে অগ্নি সংযোগের মাধ্যমে ধ্বংস এবং জব্দকৃত আসামীদের ২০ দিন করে করাদন্ড প্রদান করা হয়। জব্দকৃত ইলিশ মাছ নিকটস্থ এতিম খানায় বিতরণ করা হয়।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট বলেন, পদ্মা নদীতে অসাধু উপায়ে মা ইলিশ শিকার বন্ধে এ অভিযান পরিচালনা করে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মুনতাসীর হাসান খান বলেন, অভিযানে ৫ হাজার মিটার অবৈধ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, চায়না দুয়ারি ও মাছসহ দুজনকে আটক করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে নিষেধাজ্ঞার পুরো সময়জুড়ে অভিযান অব্যাহত থাকবে। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কেউ ইলিশ আহরণ করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
