পাংশায় সাহিত্যিক ও সাংবাদিক এয়াকুব আলী চৌধুরীর ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত

লেখক:
প্রকাশ: ১ দিন আগে

মাসুদ রেজা শিশির : ‘মানব মুকুট’, ‘শান্তিধারা’, ‘ধর্মের কাহিনী’ ও ‘নূরনবী’র মতো কালজয়ী গ্রন্থের রচয়িতা, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম মনীষী সুসাহিত্যিক মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরীর ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর সাহিত্যকর্ম, জীবনাদর্শ ও বাংলা সাহিত্যে অবদান স্মরণে আলোচনা সভা, কুইজ ও রচনা প্রতিযোগিতা, সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বেলা ১১টায় এয়াকুব আলী চৌধুরী স্মৃতি পাঠাগার ও ক্লাবের উদ্যোগে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জন্মবার্ষিকীর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রিফাতুল হকের সভাপতিত্বে ও এয়াকুব আলী চৌধুরী স্মৃতি পাঠাগার ও ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামসুল আলম সোহরাবের সঞ্চালনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদ আহম্মেদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ গিয়াস উদ্দিন খান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম, সমবায় কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা এ কে এম শাহনেওয়াজ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ চাঁদ আলী খান, রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান রাজা, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম রিংকু, পাংশা পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ শওকত আলী সরদারসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাহিত্যিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় এয়াকুব আলী চৌধুরীর সাহিত্যকর্ম ও জীবন নিয়ে আলোচনা করেন অতিথিরা। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুইজ ও শিশু কিশোরদের রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পরে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় এবং গুণীজনদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
সুসাহিত্যিক মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী ১৮৮৮ সালে তৎকালীন ফরিদপুর জেলার বর্তমান রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার মাগুরাডাঙ্গি গ্রামের ঐতিহ্যবাহী চৌধুরী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ছিলেন ব্রিটিশ-ভারতের বাংলা সাহিত্যের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত ‘কোহিনূর’ পত্রিকার সম্পাদক। সুবক্তা, রাজনীতিক, শিক্ষক ও লেখক হিসেবে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এ সাহিত্যিক তাঁর কালজয়ী রচনার মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। ‘মানব মুকুট’, ‘শান্তিধারা’, ‘ধর্মের কাহিনী’ ও ‘নূরনবী’র মতো গ্রন্থ তাঁকে বাংলা সাহিত্যে স্মরণীয় করে রেখেছে।
চিরকুমার এই সাহিত্যিক ১৯৪০ সালের ১৫ ডিসেম্বর ইন্তেকাল করেন। পাংশার মাগুরাডাঙ্গি গ্রামের চৌধুরী বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। তাঁর সাহিত্যকীর্তি ও জীবনাদর্শ আজও নতুন প্রজন্মের কাছে জ্ঞান, মানবিকতা ও মননশীলতার অনুপ্রেরণা হয়ে রয়েছে।
উল্লেখ্য, সাহিত্যিক মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী ১৮৮৮ সালে তৎকালীন ফরিদপুর জেলার এবং বর্তমান রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার মাগুড়াডাঙ্গী গ্রামের ঐতিহ্যবাহী চৌধুরী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ-ভারতের বাংলা সাহিত্যের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত ‘কোহিনূর’ পত্রিকার সম্পাদক। সুবক্তা, রাজনীতিক, শিক্ষক ও লেখক হিসেবে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এ সাহিত্যিক তাঁর কালজয়ী রচনার মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। ‘মানব মুকুট’, ‘শান্তিধারা’, ‘ধর্মের কাহিনী’ ও ‘নূরনবী’র মতো গ্রন্থ তাঁকে বাংলা সাহিত্যে স্মরণীয় করে রেখেছে।
চিরকুমার এই সাহিত্যিক ১৯৪০ সালের ১৫ ডিসেম্বর ইন্তেকাল করেন। পাংশার মাগুরাডাঙ্গি গ্রামের চৌধুরী বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। তাঁর সাহিত্যকীর্তি ও জীবনাদর্শ আজও নতুন প্রজন্মের কাছে জ্ঞান, মানবিকতা ও মননশীলতার অনুপ্রেরণা হয়ে রয়েছে।