গোয়ালন্দে ছেলের নামে মামলা হওয়ায় পুলিশে তুলে দিলেন বাবা

লেখক:
প্রকাশ: ৯ ঘন্টা আগে

সিরাজুল ইসলাম : রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় ছেলে বাধন (২০) এর নামে বাড়িতে গিয়ে হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ হওয়ায় থানায় গিয়ে পুলিশের হাতে তুলে বাবা জামাল মুন্সি।
গত মঙ্গলবার রাত দশটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। জামাল মুন্সি গোয়ালন্দ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিজয় বাবুর পাড়ার অধিবাসী এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য। তিনি উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী।
মামলা সুত্রে জানাযায়, গত সোমবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে বাবলু শেখের ছেলে সাগর, জামাল মুন্সির ছেলে বাঁধন ও বিপ্লব শেখের ছেলে রাকিব সহ অজ্ঞাতনামা ১৪-১৫ জনের একটি দল একই এলাকার সিদ্দিক মোল্লার বাড়িতে গিয়ে ফেসবুকে মাদকের বিরুদ্ধে কমেন্ট করায় ওই বাড়িতে গিয়ে অকাথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এসময় নিষেধ করায় মামলার বাদী ফরিদা বেগম (৪৩), তার মেয়ে স্মৃতি (২৪) এবং সিনথিয়া কে এসএস পাইপ ও লোহার রড দিয়া এলোপাথারী মারপিট করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। তার মেয়ের জামাই নাজমুল (২৩) তাদের বাঁচাতে গেলে তাকে এলোপাথারী মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। তার বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্নের চেইন সহ সোয়া চার লক্ষ টাকা নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে জামাল মুন্সি প্রথমে একটি ফেসবুক স্টাটাস দেন সেটি হুবহু তুলে ধরা হলো, প্রিয় গোয়ালন্দবাসী আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি জামাল মুন্সি কোন অন্যায় অপরাধের সাথে জড়িত নয়। আমার ছেলে বাঁধন তার বন্ধুদের সাথে মিলে গতকালকে যে হামলা পরিচালনা করেছে, আমি ভিকটিমদের সাথে করে থানায় নিয়ে যাই। আমি গোয়ালন্দ থানা পুলিশকে আহ্বান করব আমার ছেলেকে আপনারা গ্রেপ্তার করুন। আমার ছেলে কোন আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি থাকলে আমি তার তথ্য দিয়ে দিব। দয়া করে আপনারা এ বিষয়টা নিয়ে রাজনীতিক রং লাগাবেন না এবং নোংরামি করবেন না। ধন্যবাদ সকলকে।
এ বিষয়ে জামাল মুন্সি মুঠোফোনে বলেন, আমি নিজে ওই মহিলার সাথে গিয়ে মামলা দায়ের করেছি গোয়ালন্দ ঘাট থানায়। এরপর রাতে ছেলেকে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি। সে তার কয়েকজন খারাপ বন্ধুর পাল্লায় পরে সেখানে গিয়েছিল বলে জানতে পারি। সে অপরাধী হলে তার বিচার হোক।