কালুখালীর সূর্য্যদিয়া গ্রামের নিকজান বেগমের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই

লেখক:
প্রকাশ: ১ মাস আগে

রাকিবুল ইসলাম : রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্য্যদিয়া গ্রামের নিকজান বেগমের নেই থাকার মতো একটা বসতবাড়ি। ঝড়-বৃষ্টি-রোদে খোলা আকাশের নিচেই কাটছে তার দিনরাত।
শনিবার (২২ আগষ্ট) সকাল ১১ টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সূর্য্যদিয়া গ্রামের এক কোণে ছেঁড়া পলিথিন ও বাঁশ দিয়ে কোনোমতে একটি ছাউনি তৈরি করেছেন নিকজান বেগম। সেই ছাউনির নিচেই তার বসবাস। বর্ষায় পানি পড়ে, শীতে কনকনে বাতাস ঢোকে। তবুও এইটুকুই তার শেষ আশ্রয়।
নিকজান বেগম বলেন, “বাবা- বেঁচে নাই। স্বামীও নাই। দুই টা মেয়ে বড় মেয়েকে বিয়ে দিছি, আর ছোট জনের নিয়ে আমি থাকি, আমি কাজ করে যা পাই তাই দিয়ে পেট চালাই তাদের। ঘর বানানোর মতো টাকা নাই। রাতে ঘুমাইতে ভয় লাগে, বৃষ্টি হইলে সারাত জাইগা থাকতে হয়। সরকার যদি একটা ঘর দিতো তাইলে মাথা গোঁজার ঠাঁই হতো।
স্থানীয় সাথী পারভীন জানান, নিকজান বেগম মানুষের বাড়িতে কাজ করে কোনোমতে জীবিকা নির্বাহ করেন। জমি-জমা কিছুই নেই তার। অসুস্থ হলে চিকিৎসার টাকাও জোটে না। গ্রামের মানুষ মাঝে মাঝে খাবার দিয়ে সাহায্য করে।
এলাকাবাসী ও মানবিক মানুষের কাছে নিকজান বেগমের একটাই আকুতি – সরকারি বা বেসরকারি সহায়তায় যদি তার জন্য একটি টিনের ঘর করে দেওয়া হয়, তাহলে তিনি মাথা গোঁজার একটু আশ্রয় পান। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিত্তবানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।