গোয়ালন্দে বৈধ দোকানে অবৈধ মদ বিক্রির অভিযোগ

লেখক:
প্রকাশ: ২ দিন আগে

সিরাজুল ইসলাম : রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে সরকার অনুমোদিত দেশী মদের দোকানে চলছে মাদকের রমরমা বাণিজ্য। সেখানে সরকারি লাইসেন্সধারী মাদকসেবীদের কাছে মদ বিক্রির কথা থাকলেও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে লাইসেন্সের বাইরে যুবক ও মাদক সেবনকারীদের নিকট বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।
আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ অভিযোগ তোলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশারফ আহমেদ। তিনি বলেন, গোয়ালন্দ আড়ৎপট্রি দেশি মদের দোকানে লাইসেন্সধারীদের নিকট মদ বিক্রি করার কথা থাকলে এটা যত্রতত্র যার তার কাছে বিক্রি হচ্ছে। এই কারণে এখান দিয়ে স্কুল কলেজ পড়োয়া ছাত্র ছাত্রীদের সামনেই অনেক সময় মদ খেয়ে মাতলামি করছে। এটার তদারকি থাকা দরকার। তাছাড়া একটা গোষ্ঠী এখান থেকে বিশেষ সুযোগ সুবিধা নিয়ে এগুলো করছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
জানাযায়, গোয়ালন্দ বাজারের আড়ৎপট্রি এলাকায় অবস্থিত সরকার অনুমোদিত রনজিৎ সরকার ও শুকুমার সরকারের দেশী মদের দোকান। রয়েছে এখানে গোয়ালন্দের ৩০০ ব্যক্তির নামে মদ খাওয়ার পারমিট বা অনুমোদন আছে। যাদের দেশি মদ খাওয়ার পারমিট বা অনুমোদন আছে, তারাই শুধু দেশীয় মদের দোকান থেকে মদ কিনতে পারবে। এ ছাড়া অন্য কারও কাছে বিক্রি করা যাবে না। এমনটা থাকার কথা থাকলেও অনুমোদিত ক্রেতার কাছেই বিক্রি হয় বলে জানাযায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর মধ্যে ৫০টিরও অধিক দোকানে পারমিট বা অনুমোদনবিহীন দোকানে প্রকাশ্যে মদ বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে নীরব ভূমিকা পালন করছে জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও প্রশাসনের অন্যান্য দপ্তর।
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল হুদা’র সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মুনতাসির হাসান খান, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সফিকুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মারুফ হাসান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সৈয়দ রায়হানুল হায়দার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার দাস, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সালমা বেগম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সুলতান নুর ইসলাম মুন্নু মোল্লা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশারফ আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবলু, জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা নাজিরুল ইসলাম তিতাসসহ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ।