
স্কুল ছুটির পর রহমত (ছদ্মনাম) স্যারকে খুব বেশি খুঁজতে হয় না। গ্রামের মাঠেই তাঁকে পাওয়া যায়। কখনো শিশুদের ক্রিকেট দেখছেন, আবার কখনো ফুটবল। সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে দু-একজন শিক্ষার্থীর বাড়িতে ঢুঁ মারেন। কে পড়ছে, কে পড়ছে না—সেই খোঁজ নেন। কারও জ্বর হলে বিনা মূল্যে ওষুধের ব্যবস্থা করেন। তাঁর ঘরে ওরস্যালাইনের মজুত সব সময় থাকে। গ্রামের মানুষও বিপদে-আপদে বিনা মূল্যে তা নিতে পারেন।
উত্তরের সীমান্তঘেঁষা বাড়াই পাড়া গ্রামের মানুষের কাছে রহমত স্যার শুধু শিক্ষক নন, পরম আপনজন। কিন্তু এই আদর্শ শিক্ষকের নিজের সংসার চলে অত্যন্ত কষ্টে। প্রতি মাসেই মুদি ও মাছের দোকানে বাকির খাতা বড় হতে থাকে। এক পারিবারিক আড্ডায় রহমত স্যার বলছিলেন, ‘আমি সৎ পথে থেকে জীবন পার করতে চাই।’
